1. netpeonbd@gmail.com : Desk Report : Desk Report
  2. netpeoneditor@gmail.com : Desk Report : Desk Report
  3. admin@irisnewsbd.com : irisnewsbd : Ali Siddiki
  4. naimurrahman4969@gmail.com : naimur rahman naeem : naimur rahman naeem
  5. raju.aamar.fm@gmail.com : Raisul Islam Chowdhury : Raisul Islam Chowdhury
  6. azizul.basir@gmail.com : Azizul Basir : Azizul Basir
  7. mdriyadhasan700@gmail.com : Riyad hasan : Riyad hasan
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
দিনের সেরা অংশ |
শিশুদের মোবাইল আসক্তি কমানোর উপায় ডেঙ্গু আপডেটঃ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ২১৯ জন হাসপাতালে ১ টন আবর্জনা সরিয়ে ৭০ ফুট গভীর থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর লাশ উদ্ধার বাংলাদেশের হাবিবা আক্তারকে সৌদি আরবে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বিশ্বকাপ খেলতে ৩ অক্টোবর দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল দাঁতের হলদে দাগ দূর করতে খেতে পারেন যেসব খাবার গণটিকা কেন দুপুর আড়াইটার পর? অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিটিআরসি আন্তর্জাতিকভাবে খুব দ্রুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করোনা আপডেটঃ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩১ জন

অবৈধ সম্পদের জালে ফাঁসলেন কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যান

সংবাদ সংগ্রহকারীঃ
  • তথ্য হালনাগাদের সময়ঃ বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১১ প্রদর্শিত সময়ঃ
অবৈধ সম্পদের জালে ফাঁসলেন কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যান
অবৈধ সম্পদের জালে ফাঁসলেন কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যান

প্রায় ১৮৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের জালে ফাঁসলেন কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক পাঠান ও তার পুরো পরিবার।স্ত্রী ফিরোজা বেগম ও ছেলে কেয়া কসমেটিকসের পরিচালক মো. মাসুম পাঠানসহ তিন সন্তানকেও আসামি করা হয়েছে দুদকের দায়ের করা ৫টি মামলায়। শুধু অবৈধ সম্পদ নয়, তাদের বিরুদ্ধে ৯৬ কোটি ২৯ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনেরও অভিযোগ রয়েছে।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে তদন্ত কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল্লাহ বাদী হয়ে মামলাগুলো দায়ের করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, আবদুল খালেক পাঠান ২০১৯ সালে দুদকে যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। তার সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদে ৪৪৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকার সম্পদ দেখান। যাচাই বাছাই করে ৪৯৬ কোটি ২৮ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। তাতে ৪৯ কোটি ৩৯ লাখ টাকার সম্পদ গোপন করেন।এছাড়া বৈধ আয়ের সাথে ১৩৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ পাওয়া যায়।

এদিকে ১৯৯৮ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত যাচাই বাছাইয়ে ৫২৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা মূল্যের সম্পদের রেকর্ড পত্র পাওয়া যায়। বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ৩৯৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার। অর্থাৎ ১৩৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি।

খবরটি আপনার স্যোশাল টাইমলাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও অন্যান্য খবর

কপিরাইট © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । আইরিস নিউজ বিডি.কম,আইরিস মিডিয়া বাংলাদেশের একটি  প্রতিষ্ঠান ।

error: Content is protected !!