1. netpeonbd@gmail.com : Desk Report : Desk Report
  2. netpeoneditor@gmail.com : Desk Report : Desk Report
  3. admin@irisnewsbd.com : irisnewsbd : Ali Siddiki
  4. raju.aamar.fm@gmail.com : Raisul Islam Chowdhury : Raisul Islam Chowdhury
  5. azizul.basir@gmail.com : Azizul Basir : Azizul Basir
  6. mdriyadhasan700@gmail.com : Riyad hasan : Riyad hasan
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০৬ অপরাহ্ন

শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠিয়ে বাইরে উৎকণ্ঠিত অভিভাবকরা

সংবাদ সংগ্রহকারীঃ
  • তথ্য হালনাগাদের সময়ঃ সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৮ প্রদর্শিত সময়ঃ
শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠিয়ে বাইরে উৎকণ্ঠিত অভিভাবকরা
শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠিয়ে বাইরে উৎকণ্ঠিত অভিভাবকরা

করোনার প্রকোপের কারণে প্রায় দেড় বছর বাজেনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঘণ্টা, হয়নি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। অনলাইনে ক্লাস চললেও ছিল না শিক্ষার্থীদের পদচারণা। নিস্তব্ধতা ভেঙে গতকাল রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। দীর্ঘদিন পর ক্লাসে ফেরায় উচ্ছ্বসিত ঘরবন্দি থাকা শিক্ষার্থীরা। করোনার সংক্রমণ কমে এলেও উদ্বেগ এখনও কাটেনি। তাই শিক্ষার্থীদের ক্লাসে পাঠিয়ে বাইরে অপেক্ষায় থাকছেন উৎকণ্ঠিত অভিভাবকরা।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু হওয়ার দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর স্কুল-কলেজগুলোর সামনে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী শ্রেণি পাঠদানে অংশ নিচ্ছে। এজন্য আজও অনেকেই প্রথম এসেছে স্কুলে। দীর্ঘদিন পর সহপাঠী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সাক্ষাতে সবার মুখেই হাসি। ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাও এতে খুশি হলেও রয়েছেন উৎকণ্ঠায়।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের গেটে গিয়ে দেখা যায় অপেক্ষা করছেন অভিভাবকরা। তারা বলছেন, সন্তানরা স্কুলে ফেরায় তারা একই সঙ্গে স্বস্তি এবং উৎকণ্ঠায় আছেন। স্বস্তি লেগেছে স্কুলের প্রতি সন্তানের উচ্ছ্বাস দেখে। আর তাদের উৎকণ্ঠা হচ্ছে- করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে ক্লাস হচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধি পালন করা হচ্ছে কিনা, পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখা হচ্ছে কিনা তা নিয়ে।

সরকারের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক জানান, খোলার প্রথম পর্যায়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলবে চার ঘণ্টা করে। এ সময় শিক্ষক-কর্মচারীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থান করবেন। তবে প্রত্যেক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি করে ক্লাস নেওয়া হবে।

খোলার দিন থেকে প্রত্যেক দিন ২০২১ ও ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসবেন। প্রতিদিন রুটিন অনুযায়ী ক্লাস নেওয়া হবে। এছাড়া অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা রুটিন অনুযায়ী সপ্তাহের এক দিন করে বিদ্যালয়ে যাবেন এবং রুটিন অনুযায়ী ক্লাসে অংশ নেবেন। ধানমন্ডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের রুটিন অনুযায়ী সোমবার দ্বিতীয় শ্রেণির ক্লাস হয়েছে ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। জোড়-বেজোড় রোল অনুযায়ী আলাদাভাবে ভাগ করা হয়েছে শাখা, তাই দুইভাগে ক্লাস হচ্ছে। এছাড়া রুটিন অনুযায়ী আজ ষষ্ঠ শ্রেণির ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, সন্তানদের স্কুলের গেট পর্যন্ত নিয়ে আসেন অভিভাবকরা। স্কুলের গেট দিয়ে প্রবেশের পর তাপমাত্রা পরীক্ষা করেন দায়িত্বরত কর্মী। তারপর হাত ধোয়ার জায়গা দেখিয়ে দেন তারা। শিক্ষার্থীরা হাত ধুয়ে প্রবেশ করেন বিদ্যালয়ের ভেতরে। স্কুলের ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, কিছুদূর পর পর বৃত্তাকার চিহ্ন আঁকা আছে। শ্রেণি কক্ষের কাছে গিয়ে দেখা যায় বেঞ্চে তিনজনের বসার ব্যবস্থা থাকলেও মাঝখানে ক্রস চিহ্ন দেওয়া আছে যাতে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে এক বেঞ্চে দু’জন বসতে পারে।

পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সালমান আর রহমান। গতকাল স্কুলে আসতে পারেনি সে, আজই প্রথম দিন। তার বাবা মিজান বলেন, এখন পর্যন্ত সব ঠিক আছে। বাইরে থেকে তো আর দেখা যায় না- ভিতরে কীভাবে কী হচ্ছে। আমরা তো যেতে পারি নাই, আপনারা চাইলে ঢুকে দেখতে পারেন। গতকাল কিছুটা পর্যবেক্ষণ করেছি পরিস্থিতি। তাই গতকাল স্কুলে যেতে দেই নাই।

পাশেই দাঁড়িয়ে অপেক্ষমাণ আরাফাত সুলতানের বাবা নিজাম উদ্দিন বলেন, গতকাল পর্যন্ত স্কুলের টয়লেটগুলো অপরিষ্কার ছিল, পরে পরিষ্কার করলো কিনা জানি না। অনেক সময় অপরিষ্কার আর দুর্গন্ধ থাকায় বাচ্চারা যেতে চায় না। আপনারা ঢুকলে আমাদের জন্য ভালো, আপনারা (সাংবাদিকরা) ঢুকলে আমরা জানতে পারবো- বাচ্চারা কীভাবে ক্লাস করছে।

বিদ্যালয়ের ঘণ্টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে এক শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে আসে এবং আরেক শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা ক্লাসে প্রবেশের প্রস্তুতি নেয়। বেরিয়ে আসার সময় শিক্ষার্থীদের মুখে ফোঁটা হাসিই অভিভাবকদের জানান দেয় তারা কতটা উচ্ছ্বসিত। দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী রুফাই জামানের মা রিমু জামান বলেন, স্কুল খোলায় আমাদের বাচ্চা এতো খুশি যে ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। একদিন আগে থেকেই তারা উচ্ছ্বসিত এবং অপেক্ষা করছে কখন স্কুলে যাবে। গতকাল আমি টিকা নেওয়ার কারণে হাতে ব্যথা এবং জ্বর থাকায় নিয়ে আসতে পারিনি।পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা এখই শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মা বিনতি কর্মকার বলেন, আমার বাচ্চা পারলেতো রাতেই স্কুলে এসে বসে থাকে! স্কুল খোলার পর থেকেই কখন যাবে এ নিয়ে উত্তেজিত সে।

খবরটি আপনার স্যোশাল টাইমলাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও অন্যান্য খবর

কপিরাইট © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । আইরিস নিউজ বিডি.কম,আইরিস মিডিয়া বাংলাদেশের একটি  প্রতিষ্ঠান ।

error: Content is protected !!