1. netpeonbd@gmail.com : Desk Report : Desk Report
  2. netpeoneditor@gmail.com : Desk Report : Desk Report
  3. admin@irisnewsbd.com : irisnewsbd : Ali Siddiki
  4. raju.aamar.fm@gmail.com : Raisul Islam Chowdhury : Raisul Islam Chowdhury
  5. azizul.basir@gmail.com : Azizul Basir : Azizul Basir
  6. mdriyadhasan700@gmail.com : Riyad hasan : Riyad hasan
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০১:৫৫ অপরাহ্ন

অ্যালার্জি কী ও কেন হয়

সংবাদ সংগ্রহকারীঃ
  • তথ্য হালনাগাদের সময়ঃ মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১
  • ১৫ প্রদর্শিত সময়ঃ
অ্যালার্জি
অ্যালার্জি

অ্যালার্জি হচ্ছে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার এমন একটা দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা যা পরিবেশের বা ঋতু সংক্রান্ত কোনও অ্যালার্জেনের কারণে শরীরে হাইপারসেনসিটিভিটি তথা অপ্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়া দেখায়। অ্যালার্জেন হলো সেই বস্তু বা উপাদান, যা কোনও মানুষের শরীরে দ্রুত এ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।

অ্যালার্জিক রিয়েকশন কী?

কোনও অ্যালার্জেন শরীরের সংস্পর্শে এলে যেসব অপ্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায় সেটাই অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন। এটাকে হাইপেরসেনসিটিভিটি রিয়েকশনও বলে। এ প্রতিক্রিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা যায়, তবে চার প্রকারের মধ্যে টাইপ-১ হাইপারসেনসিটিভিটি নিয়েই আলোচনা করবো।

কোনও অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে শরীরের সাধারণ যেসব হাইপারসেনসিটিভিটি রিয়েকশন দেখা দেয় তাকে টাইপ ওয়ান হাইপারসেনসিটিভিটি রিঅ্যাকশন বলা হয়। আমরা যেটাকে অ্যালার্জি হিসেবে জানি, সেটাই মূলত টাইপ-ওয়ান।

সাধারণ প্রতিক্রিয়া

অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: অনেক সময় দেখা যায় বৃষ্টিতে ভিজলে, পুকুরে গোসল করলে, ধুলোবালি নাকেমুখে গেলে বা ঠান্ডা পানীয় পান করলে কারও কারও সর্দি-কাশি শুরু হয়ে যায়। আবার একই কাজে দেখা গেলো আরেকজনের কিছুই হচ্ছে না। অর্থাৎ বৃষ্টি, ধুলো বা ঠান্ডা পানীয় কারও জন্য অ্যালার্জেন, কারও জন্য স্বাভাবিক বস্তু। স্বাভাবিক বস্তুগুলো যাদের জন্য অ্যালার্জেন হিসেবে কাজ করে তাদের সর্দি-কাশি শুরু হলে সেটাকে বলে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস।

অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে শ্বাসযন্ত্রের মিউকাস মেমব্রেনগুলো আক্রান্ত হয় এবং হিস্টামিনের প্রভাবে সেখান থেকে প্রচুর মিউকাস তৈরি হয়। শ্বাসযন্ত্রে লুউকোট্রিন নামক এক প্রকার পদার্থ তৈরি হয় যা কাশির উদ্রেক তৈরি করতে শ্বাসযন্ত্রকে উত্তেজিত করে তোলে।

নাক দিয়ে পানি পড়া, সঙ্গে হালকা জ্বর- এসব অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের কারণে হতে পারে। অনেক সময় রাইনোভাইরাসও এ ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।

অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস: এমনটা হলে চোখ লাল হয়। চোখ দিয়ে পানি পড়ে, ব্যথাও করে। ৬-১২ বছরের শিশুদের এটি বেশি দেখা দেয়। যাদের শরীর কোনও নির্দিষ্ট অ্যালার্জেনের প্রতি অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখায় তাদের অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস হতে পারে। কিছু শিশুদের দেখা যায়, পুকুরে গোসল করলে বা বাইরে খেলাধুলা করলে চোখ লাল হয়ে যায়, পানি পড়ে এবং চোখ চুলকায়। এটা অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিসের কারণে হয়।

ফুড অ্যালার্জি: মাংস, বেগুন বা বাইরের খাবার খেলেই অনেকের চুলকানি দেখা দেয়। বমি বমি ভাব হয়। এটা হলো ফুড অ্যালার্জি। মানে তাদের শরীর ওই সব খাবারের জন্য উপযোগী নয়।

ড্রাগ অ্যালার্জি: কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা কোনও অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করার পর শরীর চুলকাতে থাকে। এতে বোঝা যায় ওই এন্টিবায়োটিকের প্রতি তার হাইপারসেনসিটিভিটি রয়েছে এবং ওষুধটা তার শরীরে অ্যালার্জেনের কাজ করছে। এমনটা হলো চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে ওষুধ বদলে নিতে হবে। কোনও ওষুধ ব্যবহারের ফলে যদি হাইপেরসেনসিটিভিটি রিয়েকশন শুরু হয় তবে সেটা হলো ড্রাগ অ্যালার্জি।

এনাফাইলেক্টিক রিএকশন: এনাফাইলেকটিক রিঅ্যাকশন হচ্ছে এক প্রকার ইমারজেন্সি অ্যালার্জিক কন্ডিশন। মনে করুন, কারও শরীরে একটি কীটপতঙ্গের সংস্পর্শ লেগেছে অথবা মশা কিংবা অন্য কীট কামড় দিয়েছে। কিছুক্ষণ পরে দেখা গেল তার শরীর লাল লাল চাকায় ভরে গেছে। এ সময় প্রচণ্ড চুলকানিও হবে। এই অবস্থাগুলোকে এনাফাইলেকট্রিক রিঅ্যাকশন বলে। যাদের শরীর হাইপারসেনসিটিভ তাদের ক্ষেত্রে মশা কিংবা ছারপোকার কামড়ে এ রিঅ্যাকশন দেখা দিতে পারে।

খবরটি আপনার স্যোশাল টাইমলাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও অন্যান্য খবর

কপিরাইট © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । আইরিস নিউজ বিডি.কম,আইরিস মিডিয়া বাংলাদেশের একটি  প্রতিষ্ঠান ।

error: Content is protected !!