1. netpeonbd@gmail.com : Desk Report : Desk Report
  2. netpeoneditor@gmail.com : Desk Report : Desk Report
  3. admin@irisnewsbd.com : irisnewsbd : Ali Siddiki
  4. raju.aamar.fm@gmail.com : Raisul Islam Chowdhury : Raisul Islam Chowdhury
  5. azizul.basir@gmail.com : Azizul Basir : Azizul Basir
  6. mdriyadhasan700@gmail.com : Riyad hasan : Riyad hasan
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ০৭:০৬ অপরাহ্ন

ফিলিস্তিনে শান্তির জন্য নতুন ভাবনা দরকার

সংবাদ সংগ্রহকারীঃ
  • তথ্য হালনাগাদের সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন, ২০২১
  • ২৪ প্রদর্শিত সময়ঃ

ইসরায়েলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ১২ বছরের শাসনের অবসান হয়েছে। সেখানে আটটি দল মিলে একটি কোয়ালিশন সরকার গঠন করেছে চলতি জুনে এবং তাদের চুক্তি অনুযায়ী ডানপন্থী দল ইয়ামিনা পার্টির প্রধান নাফতালি বেনেত প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর তিনি ২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট মধ্যপন্থী দল ইয়েশ আতিদ পার্টির নেতা ইয়াইর লাপিদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।

এই দলগুলোর মধ্যে নীতিগত অমিল থাকলেও নেহানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে হটানোর ব্যাপারে তারা একমত। নেতানিয়াহু এখনও রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন এবং বলছেন যে তিনি আবারও ক্ষমতায় আসবেন। বর্তমানে দুর্নীতির মামলায় তিনি বিচারাধীন রয়েছেন। গত মার্চে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নেহানিয়াহু চূড়ান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ব্যর্থ হন। সেটি ছিল গত দুই বছরে দেশটিতে চতুর্থ সাধারণ নির্বাচন, যার পর তিনি জোট গঠনের জন্য মিত্র পেতে ব্যর্থ হন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে নেতানিয়াহুর পরিবর্তন কি ফিলিস্তিনে শান্তি আনতে পারবে? বিশ্লেষকরা তা মনে করেন না। কারণ নতুন প্রধানমন্ত্রীও নীতিগতভাবে ফিলিস্তিনিদের বিরোধী। ফিলিস্তিনে আদৌ শান্তি আসবে কি-না সেটি আবারও আলোচনায় সামনে এসেছে। গত মে মাসে লড়াইয়ে ২৪২ ফিলিস্তিনি এবং ১০ ইসরায়েলির নিহত হওয়ার পরের দফার লড়াইয়ের মাঠ পরিষ্কার করা ছাড়া কিছুই অর্জন করতে পারেনি।

আমেরিকা তিন দশক আগে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে আলোচনার তদারকি শুরু করেছিল। তবে পবিত্র ভূমির দুই দল লোক এমন রক্তক্ষয়ী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছে যে তাদের মেলানো যাচ্ছে না। ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল- দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার করা। সে চুক্তিতে জমিবিনিময়, নিরাপত্তা গ্যারান্টি, জেরুজালেমকে দু’পক্ষ মিলে ব্যবহার করা এবং ফিলিস্তিনিদের সীমিত ‘প্রত্যাবর্তনের অধিকার’ ছিল। ইসরায়েল এটিকে পুরষ্কার ভেবেছিল- একটি সমৃদ্ধ গণতন্ত্র এবং ইহুদিদের জন্য একটি অভয়ারণ্যের সুযোগ আসছে মনে করে। আর ফিলিস্তিনিদের কাছে এটি ছিল স্ব-শাসনের স্বপ্নের বাস্তবায়ন। কিন্তু এর কিছুই হয়নি কারও জন্য। দুই-রাষ্ট্রনীতির প্রক্রিয়া বার বার ব্যাহত হয়েছে।

দুই-রাষ্ট্রের চিন্তা এখন ক্রমেই স্বপ্নধরা হয়ে যাচ্ছে, যদিও এটি মানতে অনেকেই আগ্রহী হবেন না। অসলো চুক্তির অধীনে একটি বাস্তব, স্বচ্ছল, সার্বভৌম প্যালেস্টাইনের আকাঙ্ক্ষা এখন হ্রাস পেয়েছে। পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনি অঞ্চলটি ক্রমশ ইসরায়েলি জনবসতিতে ভরে যাচ্ছে। প্রায় আট লাখ ইহুদি অবৈধ আবাস গড়েছে সেখানে, যা জাতিসংঘের চোখে এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ।

মিশর এবং ইসরায়েলের অবরোধে গাজা পরিণত হয়েছে একটি অবরুদ্ধ দ্বীপে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ একটি অপেক্ষমাণ সরকার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তরুণ ফিলিস্তিনিরা তাকে বিবেচনা করছে দখলদার ইসরায়েলের এজেন্ট হিসেবে। এমনকি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গাজাকে শাসনকারী হিংসাত্মক ইসলামপন্থী দল হামাসের প্রশংসা করেছে তারা।

খবরটি আপনার স্যোশাল টাইমলাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও অন্যান্য খবর

কপিরাইট © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । আইরিস নিউজ বিডি.কম,আইরিস মিডিয়া বাংলাদেশের একটি  প্রতিষ্ঠান ।

error: Content is protected !!