1. netpeonbd@gmail.com : irisnewsbd :
  2. azizul.basir@gmail.com : Azizul Basir : Azizul Basir
জন্ডিসের উপসর্গ-প্রতিকার - Iris News BD | দিনের সেরা অংশ
বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন

জন্ডিসের উপসর্গ-প্রতিকার

সংবাদ সংগ্রহকারীঃ
  • তথ্য হালনাগাদের সময়ঃ বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২০
  • ২৫২ প্রদর্শিত সময়ঃ
irisnewsbd.com
irisnewsbd.com

রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়। সাধারণত লিভারের রোগই জন্ডিসের প্রধান কারণ। জন্ডিস আসলে কোনো রোগ নয়, এটি একটি রোগের লক্ষণ মাত্র। আমরা যা কিছু খাই তা লিভারেই প্রক্রিয়াজাত হয়। লিভার বিভিন্ন কারণে রোগাক্রান্ত হতে পারে। হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই ভাইরাসগুলো লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করে যাকে বলা হয় ভাইরাল হেপাটাইটিস। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বেই জন্ডিসের প্রধান কারণ এ হেপাটাইটিস ভাইরাসগুলো। উন্নত দেশগুলোতে অতিরিক্ত মধ্যপান জন্ডিসের একটি অন্যতম প্রধান কারণ।

এ ছাড়াও অটোইমিউন লিভার ডিজিজ, বংশগত কারণসহ আরও নানান ধরনের লিভার রোগেও জন্ডিস হতে পারে। ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াতেও অনেক সময় জন্ডিস হয়। তা ছাড়া থ্যালাসিমিয়া ও হিমোগ্লোবিন ই-ডিজিজের মতো যে সব রোগে রক্ত ভেঙ্গে যায় কিংবা পিত্তনালীর পাথর অথবা টিউমার হলে জন্ডিস হতে পারে। আবার লিভার বা অন্য কোথাও ক্যান্সার হলেও জন্ডিস হতে পারে। জন্ডিস মানেই লিভারের রোগ এমনটি ভাবা তাই একেবারেই ঠিক নয়।

জন্ডিসের লক্ষণ ও উপসর্গসমূহ
১. চোখ ও প্রসাবের রং হলুদ হয়ে যাওয়া; আবার সমস্যা বেশি হলে পুরো শরীর গাঢ় হলুদবর্ণ ধারণ করতে পারে।
২. শারীরিক দুর্বলতা।
৩. ক্ষুধামন্দা।
৪. জ্বর জ্বর অনুভূতি কিংবা কাঁপানি দিয়ে জ্বর আসা।
৫. বমি বমি ভাব অথবা বমি।
৬. মৃদু বা তীব্র পেট ব্যথা।
৭. অনেক সময় পায়খানা সাদা হয়ে যাওয়া।
৮. চুলকানি।
৯. যকৃত শক্ত হয়ে যাওয়া।

জন্ডিস প্রতিরোধে করণীয় :
১. হেপাটাইটিস এ ও ই খাদ্য ও পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।

২. রক্ত, সিরিঞ্জ এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই সব সময় বিশুদ্ধ খাবার ও পানি খেতে হবে।

৩. হেপাটাইটিস এ এবং হেপাটাইটিস বি হওয়ার আশঙ্কা মুক্ত থাকতে হেপাটাইটিস এ এবং হেপাটাইটিস বি এর ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন।

৪. শরীরে রক্ত নেয়ার প্রয়োজন হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং করে নিতে হবে।

৫. ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার করতে হবে।

৬. মদ পান ও নেশাদ্রব্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।

৭. নিরাপদ যৌন মিলন করুন।

৮. কল কারখানার নির্গত রাসায়নিক পদার্থ থেকে দূরে থাকুন।

৯. সেলুনে সেভ করার সময় অবশ্যই নতুন ব্লেড ব্যবহার করতে বলবেন।

১০. জন্ডিস অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণও হতে পারে তাই এই রোগ থেকে বাঁচতে সচেতন হতে হবে।

জন্ডিসের চিকিৎসা :
ভাইরাল হেপাটাইটিসের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়া চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে হেপাটাইটিসের রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হতে পারে। ভাইরাল হেপাটাইটিস সাধারণত ৩ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণরুপে সেরে যায়। এ সময় ব্যথার ওষুধ যেমন, প্যারাসিটামল, এসপিরিন, ঘুমের ওষুধসহ অন্য কোনো অপ্রয়োজনীয় ওষুধ খাওয়া যাবে না। এ সময়ে মরফিন কিংবা ঘুমের ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। অ্যালকোহলে আসক্তরা অবশ্যই অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। জন্ডিস হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধই সেবন করা ঠিক হবে না।

খবরটি আপনার স্যোশাল টাইমলাইনে শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই জাতীয় আরও অন্যান্য খবর
কপিরাইট © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আইরিস মিডিয়া বাংলাদেশ
error: আইরিস এর অনুমতি নাই !!!