1. netpeonbd@gmail.com : irisnewsbd :
  2. azizul.basir@gmail.com : Azizul Basir : Azizul Basir
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন

৬৫ লাখ গ্রাহক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে

সংবাদ সংগ্রহকারীঃ
  • তথ্য হালনাগাদের সময়ঃ মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০
  • ৭৩ প্রদর্শিত সময়ঃ
irisnewsbd.com
irisnewsbd.com

দেশে কার্যক্রম শুরুর মাত্র সাত বছরেই এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ। এসব গ্রাহক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আওতায় জমা করেছেন সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত। গত এক বছরের ব্যবধানে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ১৭২ শতাংশ, আমানত বেড়েছে ১২৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ, ঋণ বিতরণ বেড়েছে ২২০ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সম্পর্কিত ২০২০ সালের মার্চ প্রান্তিকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

২০২০ সালের মার্চ শেষে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের ৬৪ লাখ ৯৭ হাজার ৪৫১ জন গ্রাহক হিসাব খুলেছেন। এসব হিসাবে জমাকৃত অর্থের স্থিতি দাঁড়িয়েছে আট হাজার ৫৩৫ কোটি ৪ লাখ টাকা। বছরের ব্যবধানে গ্রহক বেড়েছে ১২৩.৫৪ শতাংশ এবং আমানত বেড়েছে ১২৮.৫৫ শতাংশ। ২০১৯ সালের মার্চ শেষে গ্রাহক ছিল ২৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৫ জন এবং জমাকৃত অর্থের স্থিতি ছিল তিন হাজার ৭৩৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

চলতি বছরের মার্চ শেষে এজেন্টের সংখ্যা দাঁড়ায় আট হাজার ২৬০টি এবং আউটলেট সংখ্যা ১১ হাজার ৮৭৫টিতে। মার্চ পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ হয়েছে ৬৭৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ সহজে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে যাওয়ায় এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা। আলোচিত সময়ে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯ হাজার ৫৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রামীণ সুবিধাবঞ্চিত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কাছে ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দিতে এজেন্ট ব্যাংকিং চালুর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও ব্যয়সাশ্রয়ী এ সেবায় গ্রাহক এজেন্ট আউটলেটে সহজেই তার বায়োমেট্রিক বা হাতের আঙুলের স্পর্শে হিসাব পরিচালনা করতে পারেন। ফলে কম খরচে সহজে ব্যাংকিং সেবা পাওয়ায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ব্যাংকগুলোও এ সেবা প্রদানে আশানুরূপ আগ্রহ দেখাচ্ছে।

তারা বলছেন, সঠিকভাবে পরিচালনা করলে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামীতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি ঘরে ঘরে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয় ব্রাজিলে। আর বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয় ২০১৪ সালে। এর আগে ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ব্যাংক এশিয়া পাইলট প্রকল্প হিসেবে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত মোট ২৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের লাইসেন্স পেয়েছে। এর মধ্যে ২২টি ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যেসব ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে সেগুলো হলো ডাচ‌–বাংলা, ব্যাংক এশিয়া, আল-আরাফাহ‌ ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী, মধুমতি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, এনআরবি কমার্শিয়াল, স্ট্যান্ডার্ড, অগ্রণী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, মিডল্যান্ড, দ্য সিটি, ইসলামী ব্যাংক, প্রিমিয়ার, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল, এবি ব্যাংক, এনআরবি, ব্র্যাক ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, মাকেন্টাইল ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক।

খবরটি আপনার স্যোশাল টাইমলাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও অন্যান্য খবর
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আইরিস নিউজ বিডি.কম
error: আইরিস এর অনুমতি নাই !!!